• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sheikh Hasina

দেশ

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশ, বার্তা মোদী থেকে হাসিনা পর্যন্ত

৮০ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে বাংলাদেশ জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ, সর্বত্রই শোকপ্রকাশ করা হচ্ছে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লেখেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি খালেদা জিয়ার পরিবার এবং বাংলাদেশের সমস্ত মানুষের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। সেই সঙ্গে মোদী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের একটি পুরনো ছবি পোস্ট করেন। ২০১৫ সালে ঢাকায় সেই সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য।উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিল ভারত। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রতি মুহূর্তে খালেদা জিয়ার সুস্থতার কামনা করছেন এবং ভারত সব ধরনের সহায়তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও। নিজের ফেসবুক বার্তায় তিনি লেখেন, এই জাতি তার অন্যতম অভিভাবককে হারাল। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন ইউনূস।তিনি আরও লেখেন, খালেদা জিয়ার শাসনকালে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও ভাতা প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন তিনি, যা সেই সময়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে ছিল এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।এ দিন শোকবার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৌজন্যের বার্তা দেন তিনি। দলের সমাজমাধ্যমে শেখ হাসিনা লেখেন, প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতি এবং বিএনপি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি হল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
বিদেশ

সজীব-পুতুলও দণ্ডিত! তিন মামলায় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে জেল

ঢাকার আদালত বুধবার একটি চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির তিনটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ২১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় তাঁকে ৭ বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় তাঁর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া তাঁর কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুলও একটি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন।এই তিন মামলায় মোট ৪৭ জনকে আসামি করা হলেও ব্যক্তি হিসেবে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩। এই তালিকায় শুধু শেখ হাসিনা, জয় ও পুতুলই নয়, রয়েছেন হাসিনার শাসনকালের বিভিন্ন মন্ত্রী ও আমলারা। প্রাক্তন গৃহ উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং গৃহ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সহকারী সচিব পূরবী গোলদারও এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।মামলার সূত্র অনুযায়ী, ঢাকার পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি এবং সম্পদের অবৈধ ব্যবহারই মূল অভিযোগ। এছাড়া দেশ ছাড়ার পরও নানা গুরুতর অভিযোগের মুখে পড়েছেন শেখ হাসিনা। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র আন্দোলনের ওপর গুলি চালানো, মানবতাবিরোধী কার্যকলাপ এবং আয়নাঘর সংক্রান্ত দুর্নীতি। কিছু অভিযোগে তথ্য গোপন করে কর ফাঁকির কথাও বলা হয়েছে।বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার, বিচারপতি মহম্মদ শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মহম্মদ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী এই রায়ে মন্তব্য করেন যে, দোষ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। তবে আওয়ামি লীগ ইতিমধ্যেই এই বিচারের বিরোধিতা করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, ক্যাঙারু আদালতের নামে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ প্রভাবিত এবং যেখানে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নেই, তা কখনই ন্যায়বিচার হতে পারে না।এই রায় ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রায়ের ফলে রাজনৈতিক মহলে দুশ্চিন্তা এবং বিতর্ক আরও বাড়বে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
বিদেশ

হাসিনার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড? রাষ্ট্রসংঘের কড়া প্রশ্ন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাকে

জুলাই বিক্ষোভে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে এবার সরব হল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন। আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছেএই বিচার কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত? সব মিলিয়ে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে তৈরি বিচারব্যবস্থা ও তাঁর ক্যাঙারু আদালত বলতে শুরু করেছেন অনেকেই। কারণ, আদালত ঘোষণার আগেই যেন স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলা হয়েছিলহাসিনা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ফাঁসির সাজা।রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মুখপাত্র রবিনা সামদাসানি এক বিবৃতিতে জানান, এই রায় নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তাঁর কথায়, গত বছরের বিক্ষোভ দমনের সময় যে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই ঘটনার সঠিক বিচার অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে রাষ্ট্রসংঘের হাতে যথেষ্ট তথ্য নেই। তবুও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিচার হওয়া উচিতএটাই তাঁদের বার্তা।রবিনা আরও বলেন, অভিযুক্ত শেখ হাসিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। অনুপস্থিতিতেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়যে পরিস্থিতির মধ্যেই হোক না কেন, তারা এমন বিচারকে সমর্থন করে না। তাঁদের আশা, বাংলাদেশ সত্যিকারের ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামলাবে।রাষ্ট্রসংঘের পাশাপাশি হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থার মহাসচিব অ্যাগনেস কালামার্ড একেবারে সরাসরি মন্তব্য করেছেনজুলাই বিক্ষোভের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সত্যিই ভয়াবহ ছিল, কিন্তু সেই অপরাধের বিচার হতে হবে সুষ্ঠুভাবে। এই বিচারপক্রিয়া না সঠিক, না আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে হয়েছে। তাঁর কথায়, মৃত্যুদণ্ড এমনিতেই অত্যন্ত নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি। আধুনিক কোনও ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের জায়গাই নেই।সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক সমাজের একাংশের চোখে পুরো বিচার ব্যবস্থাটাই এখন প্রশ্নের মুখে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এই রায় আরও অস্থিরতা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
বিদেশ

ফাঁসি! মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী শেখ হাসিনা—বাংলাদেশে নজিরবিহীন রায়

বাংলাদেশের রাজনীতি যেন মুহূর্তে ঝড়ের চোখে ঢুকে গেল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার ঘোষণা করল সেই রায়, যার জন্য দেশজুড়ে উত্তেজনা তুঙ্গে ছিলমানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আদালত তিনটি ধারায় তাঁকে দোষী ঘোষণা করে সরাসরি ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে। সেই সঙ্গে একই অপরাধে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও। বাংলাদেশ পুলিশের প্রাক্তন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও দোষী প্রমাণিত হয়েছেন গণহত্যার মামলায়।রায় ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আদালত চত্বরের বাইরে এক অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসে। তারপরই শুরু হয় দেশজোড়া তাণ্ডব। ঢাকার রাস্তায় বিক্ষোভ, ককটেল বিস্ফোরণ, আগুন লাগানোসব মিলিয়ে যেন বিস্ফোরণের মতো ছড়িয়ে পড়ে খবরটি। আদালতে ৪৫৩ পাতার রায় পড়তে সময় লাগলেও, রায়ের অভিঘাত সরাসরি গিয়ে লাগে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।আদালত জানায়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় একাধিক গণহত্যা, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। বহু সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ, গোপন নথি আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, এটি ইতিহাসে নথিবদ্ধ হওয়ার মতো অপরাধ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে।প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও একই ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সাবেক আইজি আবদুল্লাহ আল-মামুনও দোষী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। আদালতের মন্তব্যতিনজনের সমন্বিত ভূমিকার কারণেই এই ভয়াবহ ঘটনাগুলো দেশের নাগরিকদের জীবনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে।রায়ের পরই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ, সেনা ও র্যাব নামানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রায় ঘিরে প্রচুর বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আওয়ামী লিগ সমর্থকেরা রায়কে রাজনৈতিক প্রতিশোধ বলে দাবি করেছেন, অন্যদিকে সরকার সমর্থকেরা বলছেনএটা ইতিহাসের বিচার।বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে যে ঝড় চেপে বসেছে, তার রেশ এখন শুধুই রাস্তায় নয়সরাসরি দেশের ভবিষ্যতের ওপরও পড়ে যাচ্ছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

শেখ হাসিনার পরিবারের ইতিহাস এবার মুছে ফেলবে কে? ধানমন্ডি ৩২-এ রহস্যময় তৎপরতা

বাংলাদেশে যেন ইতিহাসের এক ভয়াবহ পুনরাবৃত্তি। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী মামলার ৪৫৩ পাতার রায় পড়া চলছে আদালতে, আর ঠিক সেই সময়েই ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ির সামনে দেখা গেল দুটি পে-লোডার। দৃশ্যটি ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে তোলপাড় বাংলাদেশ। প্রশ্ন উঠলঅন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার কি তবে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সমস্ত চিহ্ন মুছে ফেলতে চাইছে?পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য আরও উদ্বেগ বাড়ায়। জানা গেছে, ধানমন্ডির বাড়ির যে অংশ এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতেই এই পে-লোডার আনা হয়েছিল। কিন্তু বাড়ির দিকের পুলিশি ব্যারিকেডে আটকে যায় তারা। এরপরই তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এলাকায় তখন উত্তেজনা টগবগ করছে।এদিকে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সেনা ও পুলিশের কার্যত মুখোমুখি সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ব্যারিকেড তুলে বিক্ষোভ থামাতে চাইলে ক্ষুব্ধ জনতা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। দুটি পক্ষের সংঘর্ষে বহু বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।পটভূমিটা আরও জটিল। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট আওয়ামী লিগ সরকারের পতনের পর, এবং শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতের অন্ধকারে পে-লোডার এনে ভেঙে ফেলা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত এই ৩২ নম্বর বাড়ি। পরে তাতে আগুন লাগানো হয়। দেশজুড়ে সেই ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। আর এবার আবারও, ঠিক রায়ের দিন, পে-লোডার নিয়ে বাড়ির সামনে হাজির হওয়ায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। ঢাকার রাস্তায় ককটেল বোমা ফাটছে, সিলেট-ময়মনসিংহ-কুষ্টিয়া মিলিয়ে সাতটি বাস, ভ্যান, এমনকি অ্যাম্বুল্যান্সেও আগুন ধরানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার বাড়িতেও হামলা হয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লিগ রবিবার থেকেই সারাদেশে শাটডাউন ডেকেছে।অবস্থা এতটাই ভয়ংকর যে ৫৫ হাজার পুলিশকে মোতায়েন করতে হয়েছে। সেনা ও বিজিবি নেমেছে রাস্তায়। প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছেকোথাও আগুন লাগানো বা ককটেল ছোড়া দেখা গেলে সরাসরি গুলি চালানো হবে।এমতাবস্থায় ধানমন্ডি ৩২-এ পে-লোডারের উপস্থিতি শুধু উত্তেজনা নয়এক ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকেতও বয়ে আনছে। বঙ্গবন্ধুর বাড়ির অবশিষ্টাংশ ভাঙার চেষ্টা আসলে প্রতীকীদেশের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারটিকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার আরেক প্রচেষ্টা কি? রায় ঘোষণার মাঝেই এমন দৃশ্য পুরো বাংলাদেশকে নতুন করে টালমাটাল করেছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

ঢাকায় রক্তগরম সকাল! শেখ হাসিনার রায়ের দিন ঘোষণা ঘিরে চরম উত্তেজনা

সকাল থেকেই থমথমে ঢাকা। চারদিক যেন অচেনা খাঁ খাঁ করছে রাস্তা, মোড়ে মোড়ে কড়া নিরাপত্তা, আর চোখে পড়ে শুধু পুলিশের ইউনিফর্ম আর সেনাদের বুটের শব্দ। রাতভর মশাল মিছিল, স্লোগান, উত্তেজনা তার পর ভোর হতেই নেমে এসেছে ভয় আর অপেক্ষার ভারী ছায়া। কারণ আজ, ১৩ নভেম্বর, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজই ঘোষণা হতে চলেছে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন।জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ওঠে তা নিয়েই শুরু হয়েছিল এই বহুল আলোচিত মামলা। আজ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার দিন ঘোষণা করবেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও প্রাক্তন পুলিশকর্তা চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তবে মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন, যা বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় এনে দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।রায়ের দিন ঘোষণার আগের রাতেই আগুনে পুড়েছে ঢাকা। একাধিক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়িতে আগুন, রাস্তায় টায়ার জ্বলছে এমন চিত্রেই কাটিয়েছে রাজধানী। অভিযোগ, এই অগ্নিসংযোগ ও হামলার পেছনে ছিল আওয়ামী লিগের সদস্য ও সমর্থকরা, যারা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন।আজ সকাল থেকেই ঢাকাকে কার্যত লকডাউন করে ফেলেছে প্রশাসন। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লিগের পক্ষ থেকে রাজধানী অচল করে দেওয়ার ডাক দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। যে কোনও অশান্তি ঠেকাতে সকাল ৮টা থেকেই শহরের রাস্তায় টহল শুরু করেছে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB), আমর্ড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশাল বাহিনী। সব মিলিয়ে রাজধানীতে মোতায়েন ১৭ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী।ঢাকার প্রতিটি প্রবেশপথে চলছে কড়া তল্লাশি। হোটেল, মেস, এমনকি আবাসিক এলাকাগুলিতেও রাতভর অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার দিকে যাবতীয় যান চলাচল। নিরাপত্তার চাদর এখন শুধু ঢাকায় নয়, ছড়িয়ে পড়েছে গাজিপুর ও নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ তাই এক উত্তাল সকাল। একদিকে শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের রায়, অন্যদিকে রাজধানীজুড়ে অস্থিরতা। মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন আজকের রায় কি ফের অগ্নিগর্ভ করে তুলবে ঢাকা?

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
বিদেশ

ঢাকায় টহল, তল্লাশি, চেকপোস্ট বাড়ছে— শেখ হাসিনার রায় ঘিরে অশান্তির আশঙ্কা

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলা মানবতাবিরোধী অপরাধ-এর মামলার রায় ঘোষণা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ঢাকা। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের প্রসিকিউটর এম এইচ তামিম সাংবাদিক বৈঠকে জানান, আগামী ১৩ই নভেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত হবে। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, রাজনীতি যাই হোক, রায় ঘোষণার দিন পিছোবে না। ১৩ নভেম্বর আদালত রায় ঘোষণার তারিখ ঘোষণা করবে।এই ঘোষণার পরই ঢাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা বেড়েছে কয়েক গুণ। শেখ হাসিনার রায় ঘিরে প্রশাসনের মাথাব্যথা আরও গভীর হয়েছে আওয়ামী লিগ নেতাদের ঘোষণা ঘিরে। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর প্রকাশ্যে বলেছেন, ১৩ নভেম্বর ঢাকায় লকডাউন হবে। আমরা রাজপথে নামব। শুধু তিনিই নন, দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতা-কর্মীরাও একই সুরে বনধের ডাক দিয়েছেন। ফলে রাজধানীতে উত্তেজনা চরমে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মানবজমিন জানিয়েছে, প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঢাকায় সর্বত্র টহল জোরদার করেছেন। ১০ নভেম্বর থেকেই শুরু হবে শহরজুড়ে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান ঢাকার প্রবেশপথ, হোটেল, মেস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় নজরদারি চলবে টানা। কোনওরকম নাশকতা বা সংঘাতের আশঙ্কা রুখতেই এই তৎপরতা।সূত্রের খবর, ঢাকার বিভিন্ন থানায় আওয়ামী লিগের নেতাকর্মীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের গতিবিধির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কারও কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রেdesh খবর।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
বিদেশ

বিকল্প বাজার দেখতে তৎপর বাংলাদেশ! তবে এখনও ভারতীয় পন্যেই নির্ভরশীল ইউনুস সরকার

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার নির্যাতনের অভিযোগে তোলপাড় সারা বিশ্ব। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা থেকে গ্রেট ব্রিটেন। এদিকে ভারতের পন্য বয়কট নিয়ে লাগাতার প্রচার চলছে বাংলাদেশে। এখন তো বিএনপি নেতৃত্ব সরাসরি সাংবাদিক বৈঠক করে ভারতীয় দ্রব্য়সামগ্রী বয়কটের ডাক দিয়েছে। তবে এখনও ভারতে থেকে সীমান্ত পার হয়ে স্বাভাবিক ভাবেই পন্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। তা এখনও বন্ধ করতে উদ্যোগ নেয়নি বাংলাদেশের ইউনুস সরকার। এদিকে পেঁয়াজ ও আলুর বিকল্প বাজার খুঁজতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। কালের কন্ঠে পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ ও আলুর বাজার স্থিতিশীল করতে ভারতের বিকল্প বাজার থেকে আমদানি এবং বাজার মনিটরিংয়ের জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আজ বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ ও আলুর স্থানীয় বাজার স্থিতিশীল করা নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অংশীজনদের নিয়ে সভায় তারা এই তাগিদ দেন।এ ছাড়া আলুর শুল্ক মেয়াদ নভেম্বর থেকে বাড়িয়ে আরো দুই মাসের জন্য বাড়ানোর সুশারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। বাণিজ্যসচিব মোহা. সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভা সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের পর আলুর বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। যদিও দাম বেশি হলেও নতুন আলু ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে বাজারে আসবে। এই সময় সংকট মোকাবেলায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে জানিয়েছে তারা। এ ছাড়া পেঁয়াজের ও আলু সঠিক তথ্য না থাকায় বাজার স্থিতিশীল করা যাচ্ছে। এ জন্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তরকে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তারা। পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য সরকারের হিমাগার করার জন্য পাইলট প্রকল্প নিতে পারে। যেখানে কম সুদে ঋণ, জমি দিতে পারে উদ্যোক্তাদের।এদিকে ট্যারিফ কমিশনের ওই সভায় একটি পর্যবেক্ষণ ও দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ ও আলুর অন্যতম উৎস ভারত। ভারতের বাজারের পণ্য দুটির দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে আলু আমদানি করা হয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৫৬৮ টন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গত ৫ মাসে (১ জুলাই - ৩০ নভেম্বর) আমদানি করা হয়েছে ৫৬ হাজার ৭৬৩ টন। ভারত থেকে এসব আলু এসেছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৭০ টন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৫২ টন। ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, চীন ও মিয়ানমার থেকে এসব পেঁয়াজ এসেছে।বাংলাদেশের সংবাদপত্রে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে মুখেই ভারতীয় পন্য বয়কটের কথ বলা হচ্ছে। কোনওরকম ভারতীয় পন্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে আসা বন্ধ করেনি। শেখ হাসিনা গদি ছাড়ার পরও একই ভাবে আলু, পেঁয়াজ, মাছসহ একাধিক পন্য ভারত থেকেই নিচ্ছে বাংলাদেশ। তাতেই বাংলাদেশের বাজারদর কিছুটা হলেও স্থিতিশীল রয়েছে। পন্য বয়কটের অযথা রাজনীতি করছে বাংলাদেশ। বেনোপোল সীমান্তে প্রতিদিন শয়ে শয়ে ভারতীয় কম্বল কিনছে বাংলাদেশীরা।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৪
বিদেশ

বাংলাদেশে "নয়া স্বাধীনতা", ছাত্র আন্দোলনই হাসিনা বিরোধী ঝড়ে পরিণত

ছাত্র সমাজ ও সাধারণ মানমুষের ২৩ দিনের দেশ জুড়ে আন্দোলনে পতন হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের। আওয়ামী লীগ প্রধান দেশ ছেড়ে আপাতত ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন তাঁর বোন শেখ রেহানা। দেশ ছেড়ে আসার আগে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এই পদত্য়াগের ফলে ১৫ বছরের আওয়ামী লিগের শাসনের অবসান হল। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে জনবিরোধী একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। ছাত্র সমাজের কোটা বিরোধী আন্দোলন আসলে সরকারকে চাপে ফেলার কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছিল। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েছে সেই দেশের শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী লোকজন। তাঁদের অভিযোগ, দেশের ভোটব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রহসণে পরিণত হয়েছিল। দেশে ব্যাপক দুর্নীতি, বাক স্বাধীনতা হরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘন, স্বজনপোষণ, ব্যাংকের টাকা লুট(ঋণের নামে), আয় বৈষম্য়, এসব নানা কারণেই ছাত্র আন্দোলনে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আছড়ে পড়ে বাংলাদেশের রাস্তায়।কোটা নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়েছিল গত ১ জুলাই। ১৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার রাজাকারসংক্রান্ত ছাত্র আন্দোলনে ঘৃতাহুতি দেয়। আদালতে গড়ায় কোটা আন্দোলন। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা, তুমি কে, আমি কে, রাজাকার, রাজাকার; কে বলেছে, কে বলেছে, স্বৈরাচার, স্বৈরাচার। বাংলাদেশে সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু হয়ে যায়। সরকারের বিরুদ্ধে সাহস করে রাস্তায় নামতে থাকেন সাধারণ মানুষ। যাঁর বাড়ির লোক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়, সপরিবারে ও তাঁর আশেপাশের মানুষজনও ভয় সরিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। ক্রমশ লোক বাড়তে থাকা ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সহ দেশের সমস্ত এলাকায়। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনকে নামিয়ে দেওয়া হয় কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে। মূলত রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে খুন করে পুলিশ। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেও আন্দোলন আছড়ে পড়ে দেশজুড়ে। বিক্ষোভ শুরু হয়। স্লোগান দেওয়া হয় এই বলে যে বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি, গুলি কর।ক্রমশ ছাত্র ও জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে বাংলাদেশে। ১৯ জুলাই কার্ফু জারি হয়। দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়। ব্যাপক সংখ্যায় শিক্ষার্থীদের গুলি করে মারা হল। দেশের সমস্ত স্তরের মানুষ এবার গর্জন শুরু করলেন। কয়েকহাজার মানুষ গ্রেফতার হয়। আগস্টে সেনাবাহিনী এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে দাড়াতে অস্বীকার করে। পুলিশও পিছু হটে। ৪ আগষ্ট রাজনৈতিক মোকাবিলার চেষ্টা করে আওয়ামী লিগ ও তার নানা সংগঠন। কিন্তু তা আর কাজে আসেনি। গতকাল, ৫ অগাস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে মার্চ টু ঢাকা বা ঢাকামুখী গণযাত্রার ডাক দেওয়া হয়। আর সরকারে থাকার সাহস করেনি শেখ হাসিনা। বঙ্গভবন থেকে হেলিকপ্টারে করে বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে য়ান। শেষ মুহুর্তে জাতির উদ্দেশে আর ভাষন দিতে পারেনি মুজিব কন্যা।আন্দোলনের শেষ লগ্নে গণভবনে লুটপাঠ চলে। যে যা পেরেছেন নিয়ে গিয়েছেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার কারিগড় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের মূর্তিও ভাঙতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পার বাংলাদেশ জুড়ে যেন স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। মন্দিরে বা সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ হলে তৎখনাৎ সাহায্য়ের জন্য় বিশেষ ফোন নম্বর দিয়েছে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে।

আগস্ট ০৬, ২০২৪
বিদেশ

ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ, দিনভর গুলি-সংঘর্ষ, কার্ফিউ, শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যসহ নিহত ৯৭

ফের বাংলাদেশে অশান্তির বাতাবরণ। এখনও পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে সারা দেশে সংঘাতসংঘর্ষ, গুলি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় অন্তত ৯৭ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন পুলিশ সদস্য। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় ১৩ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। প্রথম আলো প্রকাশিত খবরে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।এই সংবাদ মাধ্যমে লেখা হয়েছে, আজ দিনভর সংঘর্ষে নরসিংদীতে ৬ জন, ফেনীতে ৮ জন, লক্ষ্মীপুরে ৮ জন, সিরাজগঞ্জে ১৩ পুলিশসহ মোট ২২ জন, কিশোরগঞ্জে ৫ জন, রাজধানী ঢাকায় ১১ জন, বগুড়ায় ৫ জন, মুন্সিগঞ্জে ৩ জন, মাগুরায় ৪ জন, ভোলায় ১ জন, রংপুরে ৪ জন, পাবনায় ৩ জন, সিলেটে ৫ জন, কুমিল্লায় পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন, শেরপুরে ২জন, জয়পুরহাটে ২ জন, হবিগঞ্জে ১জন, ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ১ জন, সাভারে ১ জন, কক্সবাজারে ১ জন ও বরিশালে ১ জনসহ ৯৭ জন নিহত হয়েছেন। আজ দিনভর সংঘর্ষে নরসিংদীতে ৬ জন, ফেনীতে ৮ জন, লক্ষ্মীপুরে ৮ জন, সিরাজগঞ্জে ১৩ পুলিশসহ মোট ২২ জন, কিশোরগঞ্জে ৫ জন, রাজধানী ঢাকায় ১১ জন, বগুড়ায় ৫ জন, মুন্সিগঞ্জে ৩ জন, মাগুরায় ৪ জন, ভোলায় ১ জন, রংপুরে ৪ জন, পাবনায় ৩ জন, সিলেটে ৫ জন, কুমিল্লায় পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন, শেরপুরে ২জন, জয়পুরহাটে ২ জন, হবিগঞ্জে ১জন, ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ১ জন, সাভারে ১ জন, কক্সবাজারে ১ জন ও বরিশালে ১ জনসহ ৯৭ জন নিহত হয়েছেন। নৈরাজ্যবাদীদের কঠোর হাতে প্রতিহত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর হাতে নৈরাজ্যবাদীদের দমন করতে আজ দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা এখন সহিংসতা চালাচ্ছে তাদের কেউই ছাত্র নয়, তারা সন্ত্রাসী।সরওয়ার আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দিয়েছেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি); বিজিবি, এনএসআই ও ডিজিএফআই মহাপরিচালক, এনসিএসএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), র্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির তারিখ পরিবর্তন করেছে। মঙ্গলবারের পরিবর্তে আগামীকাল সোমবার এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে তারা। এতে সারা দেশ থেকে আন্দোলনকারীদের ঢাকায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। আজ রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।আসিফ মাহমুদ বলেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এক জরুরি সিদ্ধান্তে আমাদের মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি আগমী মঙ্গলবার থেকে পরিবর্তন করে আগামীকাল সোমবার করা হলো। অর্থাৎ আগামীকালই সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আহ্বান জানাচ্ছি।রাজধানীতে দুই শিক্ষার্থীসহ নিহত ৮রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আজ রোববার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে দুজন শিক্ষার্থী ও একজন আওয়ামী লীগের নেতা।নিহতরা হলেন: আওয়ামী লীগ নেতার নাম আনোয়ারুল ইসলাম। ষাটোর্ধ্ব আনোয়ারুল ইসলাম ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য। তিনি উত্তরায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে নিহত হন।রাজধানীর জিগাতলা এলাকায় সংঘর্ষের মধ্যে গুলিতে নিহত হন হাবিবুল্লাহ বাহার ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাম আবদুল্লাহ সিদ্দিকী (২৩)।কারওয়ানবাজার এলাকায় সংঘর্ষে রমিজ উদ্দিন রূপ (২৪) নিহত হন। তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।এদিকে সন্ধ্যায় আনুমানিক ২৫ বছরের এক যুবকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন কয়েকজন। নিহত ওই ব্যক্তির নামপরিচয় জানা যায়নি। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।বিকেলে ফার্মগেট এলাকায় সংঘর্ষে নিহত হন তৌহিদুল ইসলাম (২২)। তিনি মহাখালীর ডিএইট কনসালট্যান্ট লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী।গুলিস্তান থেকে বিকেলে জহির উদ্দীন নামের এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।রাত ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকা থেকে জুয়েল (২৮) নামে এক যুবকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন কয়েকজন পথচারী।এ ছাড়া রাজধানীর জিগাতলা এলাকায় সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া এক কিশোরের লাশ রাতে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। ওই কিশোরের নামপরিচয় জানা যায়নি।সারা দেশে ১৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জে নিহত হয়েছেন একজন।পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, ডিএমপির যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানা; টাঙ্গাইলের গোড়াই হাইওয়ে থানা; বগুড়ার সদর, দুপচাঁচিয়া ও শেরপুর থানা এবং নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি; জয়পুরহাট সদর থানা; কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা; রংপুরের গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও গংগাচড়া; ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আশুগঞ্জ থানা; সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর থানা; হবিগঞ্জের মাধবপুর ফাঁড়ি; ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিস; নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়; দিনাজপুর সদর থানায় আক্রমণ করেছে। আহত পুলিশ সদস্য প্রায় তিন শতাধিক। হামলায় সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ১৩ পুলিশ নিহত।সৌজন্যে- প্রথম আলো

আগস্ট ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

বাংলাদেশে রক্ত ঝড়ায় দুঃখী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অসহায়দের পাশে থাকার বার্তা

কোটা আন্দলন নিয়ে স্তব্ধ বাংলাদেশ। সারা দেশে কার্ফু জারি। দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের হাসিনা সরকার। যদিও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এই ইস্যুতে আজই রায় দিয়েছে। তবে অশান্তির জেরে ওই দেশে পড়তে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা ফিরে আসছে এদেশে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তগুলিতে বানিজ্য বন্ধ। এরইমধ্যে ধর্মতলায় শহিদ মঞ্চ থেকে বাংলাদেশ নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না বলেও বেশ কিছু কথা বলে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অসহায়দের জায়গা দেওয়ার পাশাপাশি দু:খ প্রকাশ করেছেন তিনি।এদিন শহিদ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে আমি কোনও কথা বলতে পারি না। কারণ ওটা একটা আলাদা দেশ। বাংলাদেশ নিয়ে যা বলার সেটা কেন্দ্রীয় সরকার বলবে। আমি এটুকু বলতে পারি অসহায় মানুষ বাংলায় দরজা খটখট করে আমরা তাঁদের আশ্রয় নিশ্চয় দেব। কারণ, এটা ইউনাইটেড নেশনের একটা রেজেলিউশন আছে। কেউ যদি রিফিউজি হয়ে যায় তাঁকে পার্শ্ববর্তী এলাকা সম্মান জানাবে। আসমে একটা গন্ডগোল হয়েছিল বোরোদের সাথে। আলিপুরদুয়ারে তাঁরা দীর্ঘ দিন ছিলেন। আমিও গিয়েছিলাম তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে।বাংলাদেশের গন্ডগোলের জেরে প্রাণ গিয়েছে ছাত্রদের। প্রতিবাদে কলকাতাতেও বিক্ষোভ হয়েছে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কিন্তু আমার আপনাদের কাছে আবেদন, বাংলাদেশ নিয়ে আমরা যেন কোনও প্ররোচনাতে না যাই। আমরা যেন কোনও উত্তেজনাতে না যাই। আমাদের সহমর্মিতা, আমাদের দুঃখ সে যারই রক্ত ঝড়ুক তাঁদের জন্য আছে। আমরা দুঃখী। আমরাও খবর রাখছি। ছাত্র-ছাত্রীদের মহান প্রাণ, তাজা প্রাণগুলো চলে যাচ্ছে।এদিকে এদিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট তাঁর রায়ে হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। বাকি ৭ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে। ৫ শতাংশ একাত্তের মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের। বাকি ২ অন্য সংরক্ষণ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যদি আপনাদের কোনও পরিবার থাকে, পরিজন থাকে, কেউ পড়াশুনা করতে যান। কেউ চিকিৎসা করতে এসে ফিরতে না পারেন। যদি কোনও সহযোগিতার দরকার হয়। সহযোগিতা করা হবে।

জুলাই ২১, ২০২৪
বিদেশ

Sheikh Hasina: বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

পরশি বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কুমিল্লার ঘটনার ব্যাপক তদন্ত হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী নামাতে হয়েছে। স্থানীয় সংবাদপত্রের সূত্র অনুযায়ী, হিংসার ঘটনা ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, একাধিক ব্যক্তি জখম হয়েছেন।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশে সব ধর্মের লোক বসবাস করে। যে যার ধর্ম সে পালন করবে। অর্থাৎ ধর্ম যার যার উৎসব সবার। একসঙ্গে সবাই মিলে উৎসবে সামিল হয়ে আনন্দ উপভোগ করে এই দেশে। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু দুষ্টু চক্র কিছু ঘটনা ঘটিয়ে চেতনাটাকে নষ্ট করতে চায়। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কুমিল্লার ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। অনেক তথ্য আমরা পাচ্ছি। এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে তাদের খুঁজে বের করবই। এটা প্রযুক্তির যুগ। যে ব্যক্তিই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই নেব। যখন একটা জিনিস সুন্দর ভাবে চলছে সেটাকে নষ্ট করা। দেশের উন্নয়নে বাধা দেওয়া ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। জনগনের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারে না তারাই এই কাজ করে। সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কথাও স্মরণ করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বলেছিলেন বাংলার মাটিতে সাম্প্রদায়িকতার স্থান নেই। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যারাই এখানে বসবাস করেন সবাই এদেশের নাগরিক। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁরা সম অধিকার ভোগ করবেন। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম পালন সকলেই করতে পারবেন তা সংবিধানে অধিকার দিয়ে গিয়েছেন তিনি।সংখ্যায় কম হলেই সংখ্যালঘু বেশি হলেই সংখ্যাগুরু। সাধারণত একথা সব দেশেই প্রচলিত আছে। এই ধারনাও ঠিক নয় বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিজেদের কখনও ক্ষুদ্র সম্প্রদায় ভাববেন না। এখানে আপনাদের জন্ম। আপনি স্বাধীন নাগরিক। সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু এসব কেউ ভাববেন না।

অক্টোবর ১৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal